LandCare
ল্যান্ডকেয়ার সার্ভে এন্ড কনসালটিং, রাজশাহী

যাওয়িল আরহাম (দূর আত্মীয়) ও মুসলিম উত্তরাধিকার আইন: সহজ ভাষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট

যাওয়িল আরহাম (দূর আত্মীয়) ও মুসলিম উত্তরাধিকার আইন: সহজ ভাষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
  যাওয়িল আরহাম (দূর আত্মীয়) হলো সেই আত্মীয়গণ যারা না আসহাবুল ফারায়েজ, না আসাবা—তবে শরীয়তের নির্দিষ্ট শর্তে ওয়ারিশ হতে পারেন, যদি প্রথম দুই স্তরের কেউ না থাকে। হানাফি মাজহাবে এদের উত্তরাধিকার পাওয়ার সুযোগ সীমিত, তবে অন্যান্য মাজহাবে (যেমন মালিকি, শাফেয়ি) কিছু ক্ষেত্রে তারা ওয়ারিশ হন। এখানে সম্ভাব্য যাওয়িল আরহাম ওয়ারিশদের  শরীয়তের দিক থেকে  একটি বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো: 👨‍👩‍👧‍👦 মাতৃ সম্পর্কীয় আত্মীয় মামা (মায়ের ভাই) খালা (মায়ের বোন) মামাতো ভাই/বোন খালাতো ভাই/বোন নানী (মায়ের মা) নানার মা/বাবা 🧔 পিতৃ সম্পর্কীয় আত্মীয় ফুফু (বাবার বোন) চাচী (বাবার ভাইয়ের স্ত্রী) ফুফাতো ভাই/বোন চাচাতো ভাই/বোন দাদী (বাবার মা) দাদার মা/বাবা 👶 সন্তানদের দিক থেকে কন্যার সন্তান (নাতি-নাতনী) কন্যার নাতি/নাতনী পুত্রের কন্যার সন্তান (যদি আসাবা না হয়) 👭 বৈবাহিক সম্পর্কীয় আত্মীয় শ্বশুর/শ্বাশুড়ি শ্যালক/শ্যালিকা স্ত্রীর ভাই/বোন স্বামীর ভাই/বোন ⚠️ তবে বৈবাহিক আত্মীয়গণ সাধারণত ওয়ারিশ হন না , কিন্তু কিছু মাজহাবে বিশেষ পরিস্থিতিতে বিবেচিত হতে পারেন। 📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাওয়িল আরহাম ওয়ারিশ হ... আরো দেখুন...
LandCare
ল্যান্ডকেয়ার সার্ভে এন্ড কনসালটিং, রাজশাহী

জমির দলিল রেজিস্ট্রি: দলিল গ্রহীতা স্বাক্ষর করার আগে যে ৭টি বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন

জমির দলিল রেজিস্ট্রি: দলিল গ্রহীতা স্বাক্ষর করার আগে যে ৭টি বিষয় অবশ্যই যাচাই করবেন
  নিজের জমানো টাকায় এক টুকরো স্বপ্নের জমি কেনা আমাদের অনেকেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণের পথে একটি ছোট ভুল আপনাকে ফেলে দিতে পারে বছরের পর বছর ভোগান্তিতে। জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন একটি জটিল প্রক্রিয়া, আর এই প্রক্রিয়ায় সামান্য ভুলও হতে পারে মারাত্মক। সাধারণত একজন দলিল লেখককে দিনে অনেকগুলো দলিল লিখতে হয় এবং সাব-রেজিস্ট্রারকেও শত শত দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়। এই বিপুল কাজের চাপে তাদের পক্ষে প্রতিটি দলিলের সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা প্রায় অসম্ভব। তাই জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার নিজের স্বার্থেই চূড়ান্তভাবে সাইন করার আগে কিছু বিষয় নিজে যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, জমির দলিল হাতে পাওয়ার পর কোন বিষয়গুলো ভালোভাবে মিলিয়ে দেখবেন। ১. দাগ, খতিয়ান ও হোল্ডিং নম্বর মিলিয়ে নিন জমির পরিচয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর দাগ নম্বর ও খতিয়ান। দলিলের   ১১ নম্বর কলামে   জমির এসএ (SA), আরএস (RS) বা সর্বশেষ জরিপের দাগ নম্বর অঙ্কে ও কথায় ঠিকভাবে লেখা আছে কিনা, তা মিলিয়ে নিন। প্রয়োজনে মূল নকশার সাথে দাগ নম্বরটি যাচাই করুন। খতিয়ান নম্বর এবং হোল্ডিং নম্বরও বার... আরো দেখুন...
LandCare
ল্যান্ডকেয়ার সার্ভে এন্ড কনসালটিং, রাজশাহী

ভূমি জরিপের সহজ পাঠ: জমির আকারভেদে জরিপের প্রকারভেদ ও সূত্রাবলী

ভূমি জরিপের সহজ পাঠ: জমির আকারভেদে জরিপের প্রকারভেদ ও সূত্রাবলী
  জমি কেনা-বেচা, ভাগ-বণ্টন বা শুধু নিজের সম্পত্তির সঠিক হিসাব রাখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি কী? নিঃসন্দেহে তা হলো   সঠিক ভূমি জরিপ বা জমির মাপ । কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ জমিই বর্গাকার বা আয়তাকার হয় না। কোনোটা তিন কোণা, কোনোটা পাঁচ কোণা, আবার কোনোটা নদীর মতো আঁকাবাঁকা। জমির এই বিভিন্ন আকারের কারণেই জরিপের পদ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়। আজ আমরা জানব, জমির আকারভেদে জরিপ কত প্রকার এবং কোন আকারের জমির ক্ষেত্রফল বের করতে কোন সূত্র ব্যবহার করা হয়। চলো, একদম সহজ ভাষায় উদাহরণসহ পুরো বিষয়টি জেনে নিই। জমির আকার ভেদে জরিপের প্রকারভেদ মাঠ পর্যায়ে জরিপের সময় একজন আমিন বা সার্ভেয়ার জমিকে কয়েকটি মৌলিক জ্যামিতিক আকারে ভাগ করে নেন। কারণ, নির্দিষ্ট আকারের জমির ক্ষেত্রফল বের করার জন্য নির্দিষ্ট সূত্র আছে। প্রধানত, জমিকে নিম্নলিখিত আকারে ভাগ করা হয়: ত্রিভুজাকার জমি (Triangular Land) চতুর্ভুজাকার জমি (Quadrilateral Land) বর্গক্ষেত্র (Square) আয়তক্ষেত্র (Rectangle) ট্রাপিজিয়াম (Trapezium) বিষমবাহু চতুর্ভুজ (Irregular Quadrilateral) বহুভুজাকার বা আঁকাবাঁকা জমি (Polygonal or Irregular Land) এখন আমর... আরো দেখুন...
LandCare
ল্যান্ডকেয়ার সার্ভে এন্ড কনসালটিং, রাজশাহী

বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্পত্তি বণ্টন আইন: পুত্র-কন্যা পায় সমান অধিকার! (The Succession Act, 1925 এর সহজ ব্যাখ্যা)

বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্পত্তি বণ্টন আইন: পুত্র-কন্যা পায় সমান অধিকার! (The Succession Act, 1925 এর সহজ ব্যাখ্যা)
  আজ আমরা এমন একটি সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার আইন নিয়ে কথা বলব, যা কোনো প্রথা বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার ওপর নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট লিখিত রাষ্ট্রীয় আইনের ওপর ভিত্তি করে চলে। হ্যাঁ, আমি বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন আইনের কথা বলছি। এই আইনটি শুধু আধুনিকই নয়, লিঙ্গ সমতার দিক থেকেও এক অনন্য উদাহরণ। চলো, দেরি না করে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। মূল আইন: The Succession Act, 1925 বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের সম্পত্তি বণ্টন প্রক্রিয়াটি   "The Succession Act, 1925" (উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫)   দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি একটি ব্রিটিশ আমলে প্রণীত আইন, যা আজও বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের (এবং অন্যান্য কিছু সম্প্রদায়ের) জন্য কার্যকর। হিন্দু বা বৌদ্ধ আইনের মতো এটি কোনো অলিখিত বা প্রথাগত আইন নয়। এটি একটি   কোডিফাইড (Codified)   বা লিখিত আইন। ফলে এর নিয়মগুলো অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং নির্দিষ্ট। খ্রিস্টান উত্তরাধিকার আইনের মূল বৈশিষ্ট্য এই আইনের কিছু যুগান্তকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা একে অন্য সব আইন থেকে আলাদা করে: লিঙ্গ সমতা:   এই আইনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এখানে   পুত্র এবং কন্যা সম... আরো দেখুন...